দাজ্জাল কখন আসবে — কী বলে ইসলাম?

 ১. নির্দিষ্ট সাল বা বছর কেউ জানে না।

→ কারণ রাসুল (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের বড় বড় আলামতগুলোর মধ্যে দাজ্জালের আগমন একটি বড় ঘটনা —
এগুলো "গায়েব" বিষয়, যা একমাত্র আল্লাহই জানেন।

২. কিন্তু হাদিসে কিছু “সংকেত” আছে, যেগুলা দেখে সময় অনুমান করা যায়:

কিছু হাদিস-ভিত্তিক ইঙ্গিত:

  • "যখন মানুষ ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে" — তখন দাজ্জাল আসবে।

  • "বিভ্রান্তি, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, ফিতনা বেশি হবে" — তখন তার আবির্ভাব হবে।

  • "তিন বছর ধরে পৃথিবীতে খরা হবে", এরপর সে নিজেকে মেসিহ (উদ্ধারকর্তা) বলে দাবি করবে।

  • "ইসলামি খেলাফতের পতন এবং দুনিয়াব্যাপী নৈতিক সঙ্কট" চলতে থাকবে।

৩. বর্তমান পরিস্থিতি দেখে কী অনুমান করা যায়?

  • প্রযুক্তির অগ্রগতি দিয়ে দাজ্জাল "মুজিজা" দেখাতে পারবে (যেমন — মেঘ দিয়ে বৃষ্টি আনবে, আগুন বের করবে ইত্যাদি)।

  • ফিতনা, ধর্মহীনতা, পশ্চিমা আদর্শে সম্পূর্ণ দুনিয়া ডুবে যাচ্ছে।

  • ইহুদি ও ফাসিক গোষ্ঠীর দাজ্জাল-মিশন ইতিমধ্যে প্রস্তুত (আল আকসা দখল, ফিলিস্তিন দমন, নতুন টেম্পল নির্মাণের পরিকল্পনা ইত্যাদি)।

এইসব মিলিয়ে অনেক আলেম ও ইসলামি গবেষক মনে করেন:

দাজ্জালের আগমন "খুব কাছাকাছি সময়েই" ঘটতে পারে — সম্ভবত ২০২৫ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে।

(আল্লাহু আ’লাম)

সারাংশে:

  • দাজ্জাল এখনো আসেনি, কিন্তু তার যুগ শুরু হয়ে গেছে

  • আমরা তার আগমনের “প্রস্তুতিমূলক যুগে” আছি — মানে তার আসা এখন সময়ের ব্যাপার।

  • তবে সাল নিশ্চিতভাবে বলা হারাম — একমাত্র আল্লাহ জানেন।

Comments

Popular posts from this blog

কেন Socotra Island (সোকোত্রা দ্বীপ) দাজ্জালের দ্বীপ হওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী প্রার্থিতা হতে পারে

দাজ্জালের সঙ্গে ৭০ হাজার ইহুদি থাকবে এবং তারা সব ইরানস্থ ইস্পাহান শহরের ইহুদি হবে

হাদিস অনুযায়ী দাজ্জালের দ্বীপের বর্ণনা